Saturday, May 9, 2026

সপ্তাহের সেরা

আরও দেখুন

শহরের আকাশে উড়ন্ত যান পরিবহন ব্যবস্থার নতুন দিগন্ত

ঘণ্টার পর ঘণ্টা ট্রাফিক জ্যামে আটকে থাকা, সময় নষ্ট, মন মেজাজ নষ্ট, আর সেই পথ যদি হয় এয়ারপোর্ট অভিমুখী তাহলে তার সাথে যুক্ত হয় ফ্লাইট মিস করার দুশ্চিন্তা।
এই সব দুর্দশার দিন অচিরেই দূর হতে চলেছে বেঙ্গালুরু শহরের বাসিন্দাদের জন্য।বেঙ্গালুরু
ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট লিমিটেডের সঙ্গে হাত মিলিয়ে সেখানকার সরলা এভিয়েশন কোম্পানি শুরু করতে চলেছে ভারতের প্রথম এয়ার ট্যাক্সি ‘শূন্য’-এর সার্ভিস।
পাইলট ও ছয় যাত্রী সহ সাত জন ব্যক্তিকে নিয়ে ঘণ্টায় ২৫০ কিমি গতিবেগে , এক বারে ২০-৩০ কিমির যাত্রাপথ অতিক্রম করার উপযোগী এই ইলেকট্রিক ফ্লাইং ট্যাক্সি বা eVOTL বেঙ্গালুরুর ইন্দিরাপুরম থেকে কেম্পেগৌড়া এয়ারপোর্টে যাত্রার আড়াই ঘণ্টার এর সময়সীমাকে নিমেষে কমিয়ে আনবে ১৯ মিনিটে।
এক নজরে জেনে নেওয়া যাক এর কিছু সুবিধা।
নাম- শূন্য
উদ্দেশ্য
১. ট্রাফিক জ্যাম আর দূষণ থেকে শহরের যাত্রীদের দূরে রাখা।
২. শহরের ভেতরে ট্রাভেল টাইম কমানো আর কর্মজগতে দ্রুততা আনা।
৩. দ্রুত, পরিচ্ছন্ন ও সুদক্ষ নাগরিক পরিবহণ যা কার্বন নির্গমন কম করবে।
৪. পরিবহন ব্যবস্থায় যানবাহনের চাপ কমিয়ে পরিবহন ব্যবস্থাকে দূষণ মুক্ত রাখা।
মূল্য- এই সিস্টেমে যাত্রী পিছু খরচা ধরা হচ্ছে আনুমানিক 1700-1900 টাকা।
শূন্য এর যাত্রা শুরুর প্রাথমিক কাজকর্ম সব সম্পূর্ণ হয়েছে ইতিমধ্যেই, এখন অসামরিক বিমান পরিবহন কর্তৃপক্ষের অনুমতি এসে গেলে ২০২৮ থেকে পরিষেবা চালু করতে পারে ভারতের প্রথম এয়ার ট্যাক্সি শূন্য।
প্রথমে বেঙ্গালুরুতে চালু হলেও পরবর্তীতে দিল্লি, মুম্বই ইত্যাদির মত মেট্রো শহরেও চালু করা হবে এর পরিষেবা।
এইসব দেখে শুনে বলাই যায় যে ইলেকট্রিক ফ্লাইং ট্যাক্সির পরিবহন ব্যবস্থা দেশের পরিবহন মানচিত্রে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে চলেছে নিঃসন্দেহে।