Friday, May 8, 2026

সপ্তাহের সেরা

আরও দেখুন

প্রায় তিরিশ বছর পর কাশ্মীরের উলার হ্রদে ফিরে এল পদ্মফুল

কাশ্মীরের উলার হ্রদ ভারতের সর্ববৃহৎ মিষ্টি জলের হ্রদ। রামসার সাইটের অন্তর্ভুক্ত এই হ্রদে ঝিলম নদী সহ ২৫টি ধারা থেকে জল আসে।

১৯৯২ সালের বন্যার পর পলি পড়ে এর সমস্ত পদ্মফুলের শিকড় চাপা পড়ে যায়, সাথে ক্ষতি হয় বাস্তুতন্ত্রেরও।
এই সমস্যার সমাধানে এগিয়ে আসে উলার সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ(WUCMA), শুরু করে সংস্কারের কাজ। এখন, বছরের পর বছর পরিষ্কার এবং সংরক্ষণের পর, উলার হ্রদে আবার পদ্মফুল ফুটেছে। এটি কেবল ফুলের প্রত্যাবর্তন নয় – এটি প্রকৃতির বেঁচে থাকার ইচ্ছা এবং মানুষের কঠোর পরিশ্রমের ফল।

একসময় পদ্মফুলের সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত উলার হ্রদ বছরের পর বছর ধরে পলি এবং আবর্জনার সাথে লড়াই করে আসছে। উলার সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের প্রচেষ্টায় হ্রদের গভীর থেকে পলি অপসারিত হয়েছে, পরিবেশগত ভারসাম্য পুনরুদ্ধার হয়েছে। ফলাফল? পদ্ম আবার শিকড় গেড়েছে।

পদ্মফুলের প্রত্যাবর্তন কেবল দৃশ্যগত সৌন্দর্যের ফিরে আসা নয়, বরং একটি শক্তিশালী বাস্তুতন্ত্রের পুনরুজ্জীবন।

৫৬ প্রজাতির পাখি, ৩৯ ধরনের মাছ আর ২০ ধরনের জলজ উদ্ভিদ সমৃদ্ধ এই হ্রদ, আজ হাজার হাজার পাখি, মাছ এবং জলজ উদ্ভিদকে জীবন ফিরিয়ে দিয়েছে।

পদ্মফুলের শিকড়, স্থানীয় সবজি নাদরু হিসেবে খুবই জনপ্রিয় এবং মূল্যবান। পদ্মফুলের বৃদ্ধির সাথে সাথে নাদরুও বিকোচ্ছে সমান তালে। এলাকার অর্থনীতিতে এর প্রভাব পড়ছে।

অল্প যত্ন পেলে প্রকৃতি যে কতটা ফিরিয়ে দেয়, উলার-এর পুনরুজ্জীবন আবার তা মনে করিয়ে দিচ্ছে।
এবার কাশ্মীর গেলে উলার হ্রদকে অবশ্যই দর্শনীয় স্থানের তালিকায় রাখবেন। ,