Friday, May 8, 2026

সপ্তাহের সেরা

আরও দেখুন

সেনাবাহিনীর হাই অল্টিটিউড মেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টারের ভারপ্রাপ্ত প্রথম মহিলা চিকিৎসক অবসর নিলেন

একটি জাতির সেবা করার জন্য কী কী প্রয়োজন?
অরুণাচলের বনাঞ্চল থেকে শুরু করে সিয়াচেনের তুষারাবৃত উচ্চতার পথে প্রান্তরে কর্মকাণ্ড চালিয়ে, জীবনের ৩৭ বছর ধরে এর উত্তর দিয়ে গেছেন ব্রিগেডিয়ার গিডুগু হিমাশ্রী।

১৯৮৮ সালে আর্মি মেডিকেল কর্পসে কমিশন লাভের পর, তিনি অরুণাচলের প্রত্যন্ত জঙ্গলাকীর্ণ অঞ্চলের ফিল্ড হাসপাতাল থেকে শুরু করে জম্মু ও কাশ্মীর, লাদাখ এবং সিয়াচেন হিমবাহের উচ্চ থেকে-উচ্চতম মেডিকেল ইউনিট পর্যন্ত কিছু অত্যন্ত দুর্গম ভূখণ্ড জুড়ে কাজ করেছেন।

হিমাশ্রী লাদাখের হাই অল্টিটিউড মেডিকেল রিসার্চ সেন্টারেরও নেতৃত্ব দিয়েছেন, যেখানে পৃথিবীর সবচেয়ে চরম পরিস্থিতিতে সামরিক ওষুধ পরীক্ষা করা হয়।

সোমালিয়ার সংঘাতপূর্ণ অঞ্চল থেকে শুরু করে দেশে বিদ্রোহ দমন অভিযান পর্যন্ত, ব্রিগেডিয়ার হিমাশ্রী গিডুগু কেবল চিকিৎসক হিসেবে দক্ষতা দেখিয়েছেন তাই নয়, বরং প্রতিটি মিশনে, সেনাবাহিনীর নেত্রী হিসেবে উদ্দেশ্যের প্রতি অটল ও নিবেদিত প্রাণ থাকার উদাহরণ দিয়ে এসেছেন বার বার।

তার কেরিয়ারে তিনি সেনাবাহিনীর চার চারটি বিশেষ কমেন্ডেশন বা শংসাপত্র পেয়েছেন। পাশাপাশি তার দশকের পর দশক ধরে পরিষেবা প্রদানও এক অভিনব উদাহরণ হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থেকেছে। প্রতিকূল পরিবেশে তাঁর নেওয়া প্রতিটি সিদ্ধান্ত, তাঁর দায়বদ্ধতার প্রমাণ রেখেছে।

প্রায় চার দশক পর যখন তিনি তার ইউনিফর্ম ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন, তখন তিনি কেবল একটি সুসজ্জিত কেরিয়ার নয় অনেক বেশি কিছু রেখে যাচ্ছেন উত্তরসুরিদের জন্য। নীরব নেতৃত্ব, গভীর সহানুভূতি এবং নিবেদিতপ্রাণ সেবার উপর নির্মিত একটি উত্তরাধিকার তিনি রেখে যাচ্ছেন ভারতের আগামীর সামনে।
ভারত আজ তার কন্যা ব্রিগেডিয়ার গিডুগু হিমাশ্রীকে স্যালুট জানায়।