ছোটবেলায় ছিলেন লাজুক প্রকৃতির, কিছুটা স্থুলকায় এবং বেশ চুপচাপ। মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করার থেকে নজর এড়িয়ে যাওয়াই ছিল বেশি পছন্দের।
কলকাতার এক মাড়ওয়াড়ি মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসা মাত্র ২০ বছর বয়সি এ হেন একটি ছেলের পক্ষে গ্ল্যামারের জগৎ জয় করার বড় স্বপ্ন দেখা মোটেই সহজ ছিল না, কিন্তু একই সাথে অসম্ভবও ছিল না!
বিশ্বমঞ্চে নিজের জায়গা করে নিয়ে মধুরম তা প্রমাণ করেছেন।
মধুরম দাগা এমন একজন যুবক যার যাত্রাপথে শুধুমাত্র স্বপ্ন নয়, আছে দৃঢ় সংকল্প এবং সেবার প্রতি নিবেদিত এক হৃদয়।
মাদার টেরেসার দ্বারা অনুপ্রাণিত মধুরম জীবনকে রূপান্তরিত করার জন্য দয়ার শক্তিতে বিশ্বাস করেন। এবং সেই পথে অগ্রসর হওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠা করেছেন অসরকারি সংগঠন লিবারেশিওর। মধুরম-এর এই সংস্থা সমাজের অবহেলিত ও বঞ্চিত মানুষের উন্নতির পথ দেখাতে এবং সমাজে অর্থপূর্ণ পরিবর্তন আনতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন।

ইংরেজি, হিন্দি, মাড়োয়ারি এবং বাংলা ভাষায় সাবলীলভাবে কথা বলতে পারেন তিনি। ভবানীপুর এডুকেশন সোসাইটির কমার্স বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র মধুরমের আগ্রহ বহুমুখী—তিনি একজন আগ্রহী পাঠক, লেখক এবং গায়ক, পাশাপাশি তায়কোয়ান্ডো, সাঁতার, ব্যাডমিন্টন এবং ক্রিকেটেও প্রশিক্ষিত।
রুবারু মিস্টার ইন্ডিয়া প্রতিযোগিতা জেতার পর একজন সুপারমডেল এবং ফ্যাশন আইকন হওয়ার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে, তিনি মিস্টার ইন্টারন্যাশনাল ২০২৫-এর মঞ্চে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করতে প্রস্তুত।
কেবল স্টাইল নয়, বরং এক আশার গল্পকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন কলকাতার তরুণ মধুরম দাগা।


