দেশের ভ্রমণ পিপাসু মানুষের জন্য এক বড় সুখবর।
হিমালয়ের দুর্গম এলাকায় পৌঁছনো হতে চলেছে অনেক বেশি সুবিধাজনক আর নৈস্বর্গিক ।
সুইস ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানির সাথে হাত মিলিয়ে উত্তরাখণ্ড সরকার আনতে চলেছেন অনেকগুলি রোপওয়ে প্রজেক্ট।
ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার পর্বতমালা পরিযোজনা প্রকল্পের মাধ্যমে সাত হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে যার বাস্তবায়ন হবে পিপিপি মোডে।
এর ফলে রাজ্যের পরিকাঠামোগত উন্নতির পাশাপাশি ট্যুরিজম সেক্টর-এ নতুন করে প্রাণের সঞ্চার হওয়ার আশা দেখছেন কর্তৃপক্ষ ।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে তীর্থযাত্রী , সাধারণ পর্যটক এবং রাজ্যের সাধারণ মানুষের পক্ষে অতি কম সময়ে, কম ব্যয়ে এবং সর্বোপরি কম কষ্টে হিমালয়ের কোলে লুকিয়ে থাকা অগম্য স্থানগুলোতে পৌঁছনো সম্ভব হবে।
এই প্রজেক্ট সম্পুর্ণ হলে উত্তরাখণ্ডে পর্যটন যথেষ্ট বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনার পাশাপাশি বিভিন্ন ভাবে কর্ম সংস্থান ও অর্থনৈতিক পরিকাঠামোর উন্নয়নও সম্ভব।
শোনপ্রয়াগ থেকে কেদারনাথ পর্যন্ত রোপওয়ের কাজ ইতিমধ্যেই সম্পুর্ণ হয়েছে, বাকিটা হলে দেরাদুন থেকে মুসৌরির দুঘন্টার পথসফর পনেরো মিনিটের নৈস্বর্গিক সফরে পরিণত হবে। একইভাবে গোবিন্দঘাট থেকে হেমকুন্ড সাহিব বা ভ্যালি অব ফ্লাওয়ারস-এর মত অত্যুচ্চ অথচ অতি মনোরম স্থান বা যমুনোত্রীর মত দুর্গম স্থাগুলিতে ট্রেকিং বা পদযাত্রায় অক্ষম পর্যটকদের পক্ষেও পৌঁছে যাওয়া সম্ভব হবে।
তাহলে ব্যাগ গোছানো শুরু হোক।
রোপওয়ে চড়ে পর্বতের কাছাকাছি


