ভোরাই ডেস্ক: বালির নিশ্চিন্দার উত্তম ঘড়ামি ফল বিক্রি করেন। সে সামান্য টাকায় কোনোভাবে সংসার চলে। গত সাত বছর ধরে পাওয়ায় লিফটিং করছেন কন্যা স্নেহা। শ্রীরামপুর কলেজ থেকে স্নাতকস্তরের পড়াশোনাও করছেন। ২০২৩ সালে এশিয়ান ইক্যুইপড পাওয়ার লিফটিং সাব জুনিয়র পর্যায়ে চারটি সোনা জিতেছিলেন। ২০২৪ সালে দিল্লিতে ফেডারেশন কাপেও চারটি সোনা। ওই একই বছরে ন্যাশনাল জুনিয়র পর্যায়ে তিনটি সোনা ও একটি রুপো জেতেন। তাঁর সামনে এবার এশিয়ান ইক্যুইপড পাওয়ার লিফটিং চ্যাম্পিয়নশিপ (জুনিয়র), ২০২৫। ৬ থেকে ১২ মে দেরাদুনে চিন, কাজাখিস্তান, উজবেকিস্তান, ইরান, ইরাকের মতো এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা।
কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল আর্থিক টানাটানি। চ্যাম্পিয়নশিপে এন্ট্রি ফি’র জন্য প্রয়োজন ছিল ৭০ হাজার টাকা। সোনার পদকের স্বপ্ন মেয়ের সামনে হাতছানি দিলেও সামর্থ্য ছিল না উত্তমবাবুর। শেষ অবধি বেশ কিছু জায়গা থেকে এন্ট্রি ফি’র অধিকাংশ টাকা সাহায্য হিসেবে পেয়েছেন স্নেহা। পাশে দাঁড়িয়েছেন রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতাও। শেষ পর্যন্ত ৭৬ কেজি বিভাবে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে ২ মে উত্তরাখণ্ড রওনা দেবেন স্নেহা ঘরামি।
স্নেহার কথায়, ‘পাওয়ার লিফটিংয়ের ড্রেস থেকে শুরু করে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ খরচসাপেক্ষ। বাবার পক্ষে তা জোগাড় করা কঠিন ছিল। এবার আমি লড়তে পারব। আগামী দিনে ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপে নামতে চাই।’ (সূত্র: বর্তমান)


